শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দিল চট্টগ্রাম চেম্বার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটি বাড়ল ৩০ জুন পর্যন্ত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম’র আইটি বিশেষজ্ঞ গ্রেফতার চট্টগ্রামে সাদার্ন ইউনিভার্সিটিতে দুই মাসব্যাপী আন্তঃবিভাগ বির্তক প্রতিযোগিতা শুরু নাভানাসহ সীতাকুণ্ডের সব কারখানায় ঈদুল আজহার আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দাবি পরিবেশ বিষয়ক গল্প : মন পড়ে রয় । নাজিম হোসেন শেখ পিএইচপি অটো মোবাইলসের তৈরি অ্যাম্বুলেন্স উপহার পেল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল সোতোকান কারাতে স্কুল চট্টগ্রামের কারাতে বেল্ট প্রতিযোগিতা সম্পন্ন চট্টগ্রামের পাহাড় অপরাজনীতি, অপেশাদার আমলাগিরির শিকার হাটহাজারী নাজিরহাট কলেজে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

এ বাজেটে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ জুন, ২০২১

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম সিটি বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘জাতীয় সংসদে অর্থ মন্ত্রীর ঘোষিত ছয় লাখ কোটি টাকার বাজেট শুনতে ভালো লাগছে, কিন্তু সোয়া দুই লাখ কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে, এটা চ্যালেঞ্জিং। এত বড় ঘাটতি বাজেট দিয়ে স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব নয়। এটি একেবারেই অবাস্তবায়নযোগ্য একটি কল্পনা প্রসূত বাজেট। কথার ফুলছুরি ছাড়া আর কিছুই নয়। বিশেষ করে এ মহাদূর্যোগকালে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ বাড়ালেও তাতে দুর্নীতি আরো বেড়ে যাবে। বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কার্যকর সুশাসন, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বস্তরে জবাবদিহীতা প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই বাজেটে। এ বাজেট মুখ থুবড়ে পড়তে বাধ্য।’

তিনি বৃহস্পতিবার (৩ জুন) অর্থ মন্ত্রীর ঘোষিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এসব মন্তব্য করেন।

অর্থ মন্ত্রীর ঘোষিত জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জনের হার ৭ দশমিক ২ শতাংশকে কল্পনা প্রসূত মন্তব্য করে শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আমদানি, রপ্তানি, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান প্রভৃতি সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো আলোচনা করলেই স্পষ্ট যে ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন নিতান্তই কল্পনা প্রসূত। যা কঠিন এবং অসম্ভব। জিডিপি ও রাজস্ব আহরণে প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা দৃশ্যমানভাবেই প্রতারণার শামিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘করোনাকালে দিন আনে দিন খায় এ শ্রেণির মানুষের জন্য এবং বেকারত্ব মোকাবিলায় কোন গঠনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বাজেটে কর্মহীন প্রবাসীদের দেশে পুনর্বাসন ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলার কোন সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই।’

শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘এ বাজেটে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। বাজেটের বড় অংশ মেগা প্রকল্পগুলোকে দেওয়া হয়েছে, যেগুলো এরই মধ্যে দুর্নীতির কারণে প্রশ্নবিদ্ধ। দুর্নীতির যে ধারা চলমান, সেটাকে অব্যাহত রাখাই এর কারণ। তাছাড়া কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাজেটে দেওয়া হয়েছে, সেটাও দুর্নীতিকে চলমান রাখার আরেকটি প্রয়াস মাত্র। এ মুহূতে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য যে সব খাতকে অগ্রাধিকার ও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন, তা এ বাজেটে নেই। তাদের চিন্তাই হচ্ছে নিজেদের লোকদের তুষ্ট করা, তাদের পকেট ভারি করা।’

প্রেস বার্তা

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ