শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দিল চট্টগ্রাম চেম্বার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটি বাড়ল ৩০ জুন পর্যন্ত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম’র আইটি বিশেষজ্ঞ গ্রেফতার চট্টগ্রামে সাদার্ন ইউনিভার্সিটিতে দুই মাসব্যাপী আন্তঃবিভাগ বির্তক প্রতিযোগিতা শুরু নাভানাসহ সীতাকুণ্ডের সব কারখানায় ঈদুল আজহার আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দাবি পরিবেশ বিষয়ক গল্প : মন পড়ে রয় । নাজিম হোসেন শেখ পিএইচপি অটো মোবাইলসের তৈরি অ্যাম্বুলেন্স উপহার পেল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল সোতোকান কারাতে স্কুল চট্টগ্রামের কারাতে বেল্ট প্রতিযোগিতা সম্পন্ন চট্টগ্রামের পাহাড় অপরাজনীতি, অপেশাদার আমলাগিরির শিকার হাটহাজারী নাজিরহাট কলেজে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন

এস আলম গ্রুপের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে শ্রমিক হত্যায় যুব ইউনিয়ন চট্টগ্রামের বিক্ষোভ

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক / ৮৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বকেয়া বেতন ও ভাতাসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর বর্বরোচিত পুলিশি হামলা ও শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলা।

রোববার (১৮ এপ্রিল) বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর চেরাগি পাহাড় চত্বরে এ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল কর্মসূচি পালন করা হয়।

সভাপতি রিপায়ন বড়ুয়ার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি শ্যামল লোধ, সহকারী সাধারণ সম্পাদক জাবেদ চৌধুরী, রুপন কান্তি ধর, সাংগঠনিক সম্পাদক রাশিদুল সামির, টুটন দাশ, বিপ্লব দাশ, জুয়েল বড়ুয়া, মিঠুন বিশ্বাস, রবি শংকর সেন প্রমুখ

বক্তারা বলেন, ‘এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন এসএস পাওয়ার লিমিটেড চীনের দুটি প্রতিষ্ঠানের কারিগরি সহযোগিতায় গন্ডামারা ইউনিয়নে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে শ্রমিক সরবরাহ করে তৃতীয় একটি কোম্পানি। এ কোম্পানি শ্রমিকদেরকে দীর্ঘ দিন ধরে বেতন-ভাতা নিয়ে অনিয়ম করছে। শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে বকেয়া বেতন পরিশোধ, বেতন বাড়ানো, শুক্রবারে জুমার দিন হওয়ায় এক বেলা কাজ করাসহ চার দফা দাবিতে শ্রমিকরা কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলতে গেলে তর্কাতর্কি হয়। সে সময় কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়। এ করোনা মহামারীর মধ্যেই আনোদলনরত শ্রমিকদের উপর পুলিশ শ্রমিকদের নিপীড়নে নেমে পড়ে। পুলিশের গুলিতে পাঁচ জন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছে। শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের এ বর্বরোচিত হামলা কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না।’

তারা বলেন, ‘শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও অন্য পাওনাদি পরিশোধে গড়িমসি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শ্রমিকরা শতভাগ ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন করছেন। অথচ বেতন-ভাতা পরিশোধ করার বদলে বিক্ষোভে গুলি করে শ্রমিকদের দাবি আদায়ের ন্যায্য অধিকারটুকু কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। শ্রমিকদের হয়রানি-নির্যাতন করে মানবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে।’

বক্তারা অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের স্বার্থে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান। শ্রমিকদের ওপর হামলা, হয়রানি বন্ধ ও সব শ্রমিকের বকেয়া বেতন অবিলম্বে পরিশোধ করারও দাবি জানান তাঁরা।

তারা বলেন, ‘লুটেরা-ব্যবসায়ী শ্রেণির স্বার্থে পুলিশ বাহিনীকে দলীয় ক্যাডারের মত ব্যবহার করে জনগণের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং দেশকে একটি পুলিশি ভীতিকর রাষ্ট্রে পরিণত করে সরকার এটা প্রমাণ করেছে যে এ সরকার শ্রমিকবান্ধব নয়। গণবিচ্ছিন্ন, কর্তৃত্ববাদী অনৈতিক সরকার কখনো শ্রমিকদের পক্ষে কোন দাবিকেই তোয়াক্কা করে না।’

প্রেস বার্তা

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ