মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন

এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালে করোনা রোগীর সেবায় পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ ইউনিট চালু

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১
  • ১২ Time View

চট্টগ্রাম: করোনা রোগীর সেবায় পূর্ণাঙ্গ ডেডিকেটেড আইসিইউ ইউনিট চালু করেছে জিইসি মোড়স্থ এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ১৬ শয্যা বিশিষ্ট ইনটেন্সিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) চালুর মাধ্যমে এ ডেডিকেডেট সার্ভিস চালু করেছে হসপিটালটি। এছাড়া দশটি এইচডিইউ বেড এবং পর্যাপ্ত হাইফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা রয়েছে হসপিটালটিতে।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) ছয় শয্যা বিশিষ্ট ইনটেন্সিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মিজানুর রহমান। এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোর্শেদ হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর, ডাক্তার সৈয়দ নুরুল কিবরিয়া ও মাহাদী হাসান রাসেল।

মিজানুর রহমান বলেন, ‘মহামারী করোনার এ সময়ের মধ্যে এশিয়ান স্পেশালইজড হসপিটালের আইসিইউ ইউনিট চালু প্রশংসনীয় উদ্যোগ। হাসপাতারগুলোর চিকিৎসা সেবা বাড়ানোর মাধ্যমে করোনা রোগীদের সেবা দিতে হবে। পর্যন্ত সেবা দেয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতারগুলোকে তাদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে হবে। রোগীকে সন্তুষ্ঠ করতে পারলেই হাসপাতালের সুনামবৃদ্ধি পাবে।’

শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘করোনাকালীন এ সময়ে মানুষ আইসিইউ বেডের জন্য হাহাকার করছে। আইসিইউ সংকটে মানুষের জীবন ঝূকির মধ্যে। সারা দেশে যখন আইসিইউর জন্য হাহাকার ঠিক তখনই এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল মানুষের সেবার কথা চিন্তা করে আইসিইউ সংখ্যা বাড়িয়েছে। যা অত্যন্ত আনন্দের ও সময়োপযোগী। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি বেসরকারী হাসপাতালেও অনেক সময় নানা অভিযোগ রোগীরা করে থাকে। কাজ করতে গেলে সমালোচনা হবে, তবে আমাদের চিন্তা করতে হবে এরা কতটা ঝুঁকি নিয়ে এ মহামারীতে সেবা দিচ্ছে সেটা। তাদের যে জীবন ঝুঁকি নিয়ে আমাদের সেবা দিচ্ছে, একটা মানুষকে সুস্থ করে তুলছে সেটা। তাই আমরা সব সময় পজেটিভ চিন্তা করব। কিছু ভুল থাকতে পারে, ভুলক্রুটির উর্ধ্বে কেউ নয়।’

এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টি সেন্টারের রয়েছে ১০০ বেড বিশিষ্ট, ২২৫ জন কর্মচারী এবং দুইটি ওটি রুম, ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ), করোনারী কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ), নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (এনআইসিইউ), হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট (এইচডি ইউ), ভিআইপি কেবিন, জেনারেল কেবিন, ফার্মেসী, আন্তঃ বিভাগ ও বহিঃ বিভাগে রোগীর চিকিৎসা সেবা,

হসপিটালে দশটি এইচডিইউ বেড এবং পর্যাপ্ত হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থাও রয়েছে। তাছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্বাবধানে, অভিজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স, দ্বারা রোগীদেরকে সর্বোত্তম সেবা দেয়াসহ সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ডিজিটাল মেশিনে সব প্রকার পরীক্ষা নিরীক্ষা নির্ভুল রিপোর্ট দিয়ে শতভাগ উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

লায়ন সালাউদ্দীন আলী জানান, গত কয়েক দিন ধরে রোগীর চাপ অনেক বেড়ে গেছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ জন রোগীর স্বজন ভর্তির জন্য যোগাযোগ করছেন। সমান সংখ্যক রোগীর স্বজন যোগাযোগ করছেন আইসিইউর জন্য। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগীর স্বজনরাও আইসিইউর জন্য যোগাযোগ করছেন। করোনা রোগীর পাশাপাশি জেনারেল রোগীর চাপও বেড়েছে প্রচুর। জেনারেল ওয়ার্ডেও কোন কেবিন ও সিট খালি নেই।

প্রেস বার্তা

Share This Post

আরও পড়ুন