বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: চট্টগ্রাম বন্দরে জরুরী সভা; ছয় সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬১১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

চট্টগ্রাম: লালখান বাজার থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত ফ্লাইওভারের (বারিক বিল্ডিং থেকে বন্দর ভবন পর্যন্ত অংশ) এলাইমেন্ট চূড়ান্তকরণের ব্যাপারে জরুরী সভা করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)।

চবকের বোর্ড রুমে সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেছেন চবকের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান।

সভায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ এবং বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল রিয়ার এডমিরাল এম মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় দেশের আমদানী-রপ্তানি ও দেশের অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থে নির্মিতব্য ফ্লাইওভারের বারিক বিল্ডিং থেকে সল্টগোলা পর্যন্ত নির্মাণকালীন যাতে বন্দরের আমদানী-রপ্তানী পণ্যবাহী ট্রাক/লরির চলাচল নির্বিঘ্ন থাকে এবং বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম যাতে কোনো রকম বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে ছয়টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এগুলো হল: বারিক বিল্ডিং থেকে সল্টগোলা পর্যন্ত অনুমোদিত ডিপিপিতে প্রেরিত নকশা অনুযায়ী মূল রাস্তার মাঝখানে পিলার স্থাপনের মাধ্যমে ফ্লাইওভার নির্মাণের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে; নির্মাণকাজ চলাকালীন রাস্তার দুই দিকে দুই লেইন করে মোট চার লেইন ফ্রি রেখে নির্মাণ কাজ করতে হবে, যাতে যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত না হয়; ফ্লাইওভারের যে পাশে কেপিআই এলাকা থাকবে, সেই পাশে নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে শব্দ নিরোধক উঁচু ফেন্সিং তৈরি করতে হবে; নির্মাণকালীন সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর এবং বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সাথে সমন্বয় করতে হবে; বন্দরের বিদ্যমান গেইটগুলোতে চলাচলকারী ট্রাক/লরি প্রয়োজনে সিপিএআর গেইটে সাময়িক শিফট করা হবে এবং বন্দরের বিদ্যামান গেইটগুলোর সামনে যাতে কোনো পিলার স্থাপিত না হয়, সে জন্য প্রয়োজনে স্প্যানের দূরত্ব সমন্বয় করতে হবে।

ফ্লাইওভারের এলাইমেন্টের ব্যাপারে এ সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় চার একর জমি এবং সাধারণ জনগণের প্রায় আড়াই একর জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না এবং সাধারণ জনগণের স্থাপনা বাবদ কোনো ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। এতে চউকের প্রায় ৪০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

সভায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সব সদস্য, সংশ্লিষ্ট সব বিভাগীয় প্রধান, চউকের প্রধান প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ম্যাক্স-রেনকিং জেভি এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক এবং অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ