শিরোনাম
মারা গেলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি শামসুজ্জামান খান কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা বন্ধকালীন দশ উপজেলায় এক হাজার মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‌‌‌‌‌এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি: বিদ্যায়তনিক পাঠ ও গণ প্রয়োগ কবিতা: আছি সেই সুদিনের অপেক্ষাতে । শ্রাবন্তী বড়ুয়া করোনার চিকিৎসায় পাহাড়তলীতে সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন মাছ আহরণ নিষিদ্ধকালে জেলেদের জন্য ৩১ হাজার মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ রমজানে রোগবালাই ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে উড়িরচরে সীমানা পিলার স্থাপনের প্রতিবাদ সন্দ্বীপবাসীর মাউন্টেন ভ্যালির আইভেক্টোসল ও আইভোমেকের প্রথম ধাপের ট্রায়াল শুরু এল রহমতের মাস মাহে রমজান
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন

এত দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানেও একুশের চেতনা আজো অমলিন-অমর

মো. মুজিব উল্ল্যাহ্ তুষার / ৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

একুশে ফেব্রুয়ারী মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এ দিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রাণ দিয়েছিলেন রফিক, সালাম, শফিক, বরকতসহ আরো অনেক ভাষা সৈনিক। যাদের আত্মত্যাগে আজ মুক্ত বাংলা ভাষা। বায়ান্নর সেই ঐতিহাসিক একুশে ফেব্রুয়ারি আজ ৬৮ বছর পেরিয়ে ৬৯ এ পদার্পণ করছে। এত দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানেও একুশের চেতনা আজো অমলিন-অমর। প্রাণ বিসর্জন দিয়ে আমরা কালে কালে প্রমাণ করেছি ভাষার প্রতি, মাতৃভূমির প্রতি আমাদের ভালোবাসা। তাই তো গানের কলিতেও এ দিন সবাই বলি, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।’

১৯৪৭ সালে ভারত বর্ষ ভাগ হওয়ার পর বাংলা ভাষাসহ পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি নানা রকমের অবিচার শুরু করে পশ্চিম পাকিস্তানিরা। এরপর ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১ পর্যন্ত এ অঞ্চলের মানুষকে সইতে হয়েছে অমানবিক অন্যায়-অবিচার। উর্দু নয়, রাষ্ট্র ভাষা বাংলা জন্য সেই আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া মহান মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহীদের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি বাংলা-বাংলাদেশ। আজ আমরা স্বাধীন দেশের মানুষ, বাংলাই আমাদের মুখের-প্রাণের ভাষা। অত্যাচারী শাসকরা নির্যাতন-নিপীড়ন করেও কেড়ে নিতে পারেনি আমাদের সত্তা, আমাদের অহংকার বাংলাকে।

ভাষা শহীদের এ দিনটি জাতিসংঘের উদ্যোগে আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। যে কারণে, পৃথিবীর প্রতিটি রাষ্ট্র ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করে দিবসটি। এ দিন সকাল বেলা আমাদের শহীদ ভাইদের স্মৃতিতে নির্মিত শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শুদ্ধা নিবেদন করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। আমরাই পৃথিবীর একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য জীবন দিতে কার্পণ্যবোধ করে নি, বরং ভাষা রক্ষায় বুক পেতে দিয়েছিল বুলেট-বেয়নেটের সামনে।

বলতেই হয়, এত দীর্ঘ সময় পার করেও অনেক ক্ষেত্রেই অবহেলিত বাংলা ভাষা। নিজেদের দেশেই আমরা ভুলে যাই বাংলার তাৎপর্য। শুদ্ধ উচ্চারণসহ বাংলার ব্যবহারে আমাদের গাফিলতি রয়েছে, বিকৃত বাংলাতেও একুশ শতকের প্রজন্ম বেশ এগিয়ে। এ ছাড়াও বাংলাকে তাচ্ছিল্যের স্বভাবও অনেকের মাঝে বিদ্যমান। এ ধরনের মানসিকতা শুধু ভাষা নয়, বরং দেশের সংস্কৃতির জন্যও ক্ষতিকর। অনেক যুক্তি-তর্ক-বিশ্লেষণ করেও আমাদের মহামান্য উচ্চ আদালতে রায় হয় বিদেশি ভাষায়, যা হওয়া উচিত নয়। আমরা চাই, বাংলা ভাষার সম্মান রক্ষার্থে দেশের অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজসহ সব পর্যায়ে বাংলাই প্রথম প্রাধান্য পাবে।

লেখক: সাংবাদিক, সংগঠক ও সমাজ কর্মী

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ