শিরোনাম
মারা গেলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি শামসুজ্জামান খান কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা বন্ধকালীন দশ উপজেলায় এক হাজার মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‌‌‌‌‌এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি: বিদ্যায়তনিক পাঠ ও গণ প্রয়োগ কবিতা: আছি সেই সুদিনের অপেক্ষাতে । শ্রাবন্তী বড়ুয়া করোনার চিকিৎসায় পাহাড়তলীতে সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন মাছ আহরণ নিষিদ্ধকালে জেলেদের জন্য ৩১ হাজার মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ রমজানে রোগবালাই ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে উড়িরচরে সীমানা পিলার স্থাপনের প্রতিবাদ সন্দ্বীপবাসীর মাউন্টেন ভ্যালির আইভেক্টোসল ও আইভোমেকের প্রথম ধাপের ট্রায়াল শুরু এল রহমতের মাস মাহে রমজান
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন

একজন তাহসান মানে বিশ্বাস ও আত্মসম্মানের ফুল প্যাকেজ

মোহাম্মদ আজীম উদ্দীন / ৩৫৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০

মেয়েদের চোখে তাহসান একজন আদর্শ মানুষ। আমার দেখা বাংলাদেশে আর কোনো সেলিব্রেটির এতটা ফিমেল ফ্যানবেজ নাই, যতোটা এই ভদ্রলোকের আছে। তারপরও উনার লাইফে কোনো নারী কেলেঙ্কারির ছিটে-ফোঁটা নেই।

এক তো মিডিয়ার লোক এত বড় স্টার, ইউনিভার্সিটির প্রফেসর। সব জায়গায় মেয়েদের আনাগোনা। এত সুযোগ থাকার পরও উনার লাইফে প্রেমিকাকে ও বিয়ে পরবর্তী বউকে কোনো দিনও ঠকায় নি। প্রেম বলুন বা বিয়ে পরবর্তী সম্পর্কে তিনি ছিলেন অনড়। সম্পর্ককে কতটা সম্মান করলে এত সুযোগ থাকার পরও একটা মানুষ এত ক্লিন ক্যারেক্টারের হতে পারে, ভাবুন তো একবার!

প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিজের কাছের মানুষের বিশ্বাস বাজি রাখাটা শিখুন উনার কাছ থেকে।

চাইলেই যে কোনো ধরনের বাজে পরিস্থিতিতে নিজেকে লয়াল রাখা যায়। সেটাও আমাদের উনার কাছ থেকে শেখা উচিত।

এতটা ভালোবাসার পরও উনার সংসার টেকে নি। বিচ্ছেদে মোড় নেয়।

বিচ্ছেদের পরও উনি উনার ওয়াইফকে কটাক্ষ করে কথা বলেনি। খুঁত ধরা ও দোষ খোঁজা নিয়ে পড়ে থাকে নি। অথচ হলুদ সাংবাদিকের দল মুখোরুচক শিরোনামের জন্য হাজারো প্রেশার করেও উনার মুখ দিয়ে প্রাক্তন স্ত্রীর নামে কিছুই বলাতে পারে নি। প্রতি বার তিনি হয়তো ভেবেছেন, তার সাথে সংসার করা মানুষটার কথা। কখনোই অসম্মান করেন নি। বরঞ্চ উনিই সবার আগে বলেছে, ‘সবচে বড় পরিচয় সে আমার বাচ্চার মা, আমি কোনো ভাবেই তাকে নিয়ে কিছু বলতে পারি না। সে যেমনই হোক।’

কি দারুণ কথা। একবার ভাবুন তো। এমন সুন্দর করে কয় জনই বা বলতে পারে?

অথচ আমরা সম্পর্কে সামান্য নড়-বড়ে হলে ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে বেড়াই। ফ্রেন্ডলিস্টের গোটা মানুষকে জানিয়ে দেই। নিজের প্রাইভেসি ব্রেক করি। দোষ খুঁজি, খুঁত ধরে কাহিনী করি।

সম্পর্ক যে পরিস্থিতিতে থাকুক না কেন? তাহসানের কাছ থেকে শিখুন, সম্পর্কের ওপারের মানুষটাকে কিভাবে সম্মান করা যায়।

এর পর উনার এক্স ওয়াইফের একের অধিক আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল হলো। ভিন্ন ধর্মী একজনের সাথে বিয়েও হলো। উনি চাইলেই তখন কত কিছু বলতে পারতেন, যেহেতু বিচ্ছেদ অলরেডি হয়ে গেছে। কিন্তু তখনও তিনি কিছুই বলেন নি তার সম্পর্কে। সবার উত্তর তিনি একদিনে দিয়েছে বেইলি রোডের কনসার্টে, বলেছেন ‘আই ডোন্ট কেয়ার!’

আমাদের বিচ্ছেদের পর ঠিক এই রকমই হওয়া উচিত। যে ফেলে গেছে তাকে নিয়ে পড়ে থাকা নিতান্ত বোকামি।

আপনাকে যে বুঝলো না, আপনার ভালো থাকার কথা যে ভাবলো না, আপনাকে পাত্তা দিলো না, যে আপনাকে ছেড়ে মাঝ পথে রেখে চলে গেলো, তাকে নিয়ে ভাবছেন? ব্যাপারটা এক প্রকার নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেওয়া নয় কি?

উনার কিন্তু সুযোগ ছিল উনি বিচ্ছেদের সময় যতটা অপমানিত হয়েছে, দেশের মানুষের সামনে, সেটার প্রতিশোধ নেওয়া। কিন্তু তা করলো না! এমন ভাব করলো, ডাজন্ট কেয়ার!

বিচ্ছেদের পর পরিস্থিতি যতটা বাজে হোক না কেন? মাথা ঘামানো যাবে না।

একজন তাহসান মানে বিশ্বাস, সম্মান ও আত্মসম্মানের ফুল প্যাকেজ।

add

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ