মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন

উৎসের অনুষ্ঠানে বক্তারা: ডিজিটাল পদ্ধতি উপযোগী শিক্ষা সবার জন্য সহজ করতে হবে

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬২ Time View

চট্টগ্রাম: ‘মানব-কেন্দ্রিক পুনরুদ্ধারের জন্য সাক্ষরতা: ডিজিটাল বৈষম্য হ্রাস’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে মহামারী কোভিড ১৯ চলাকালীন শিক্ষার মূলভিত্তি হিসেবে সাক্ষরতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২১’ উদযাপন করেছে ইউনাইট্ থিয়েটার ফর সোশাল অ্যাকশন্ (উৎস)।

এ উপলক্ষে ডানচার্চ এইডের সহায়তায় উৎস বাস্তবায়িত ‘প্রমোটিং এডুকেশনাল রাইটস অব পারসনস উইথ ডিসএ্যাবিলিটিস’ প্রকল্প আয়োজিত পাহাড়তলি রেলওয়ে জাদুঘর সংলগ্ন শেখ রাসেল শিশু পার্কের মুক্তমঞ্চ বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পশ্চিম খুলশী আবাসিক এলাকা বাড়ি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাশরুজ্জামান মুকুট, চট্টগ্রাম পিএইচটি সেন্টারের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ।

উৎসের নির্বাহি পরিচালক মোস্তফা কামাল যাত্রার সভাপতিত্বে ও প্রকল্প কর্মকর্তা সাফিয়া বেগম সঞ্চালিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক প্রকল্পের সমন্বয়কারী বিভাস কুমার এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রকল্পের অধিকারভোগী সদস্য আছিয়া আক্তার নিঝুম ও ফরিদুল আলম।

বক্তারা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ সমাজের সব স্তরের মানুষের সাক্ষরতা তথা এ মৌলিক অধিকার অর্জনে বাধা ও সমস্যাগুলো দূর করে একুশ শতকের দক্ষ জাতি হিসেবে বাঙালিদের গড়ে ওঠার প্রত্যয় গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

মো. ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘কারিগরি ও ডিজিটাল শিক্ষা গ্রহণ পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থা সবার জন্য সহজতর করে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে একুশ শতকের সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রত্যয় নিতে হবে।’

মাশরুজ্জামান মুকুট মানব সভ্যতায় সাক্ষরতার ভূমিকা ও বর্তমানে ডিজিটাল বিভাজন দূর করে তা সব শ্রেণি ও পেশার উপযোগী করে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার ক্ষতি কমিয়ে নিতে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল প্রযুক্তির সাথে অভ্যস্থ করতে শিক্ষার্থীসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্বাচনকরণকে সমকালীন পরিস্থিতি বিবেচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মোস্তফা কামাল যাত্রা বলেন, ‘করোনাকালে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনার পাশাপাশি তাদের মনসিকভাবে শক্তিশালী করতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী, দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া নারীদের প্রতি বিশেষ পরিকল্পনাকে প্রাধান্য দিতে হবে।’

উৎসের অর্থ ও প্রশাসন ব্যবস্থাপক মো. আনোয়ার হোসাইন, কর্মসূচি সমন্বয়কারী মুহাম্মদ শাহ্ আলম, হার্ট প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার রিপা পালিত, উল্লেখিত প্রকল্পের একাউন্টিং অফিসার তাসলিমা আকতার, কমিউনিটি মোবিলাইজার আলী আহমদ, মোহম্মদ নাছির, হার্টের প্রোগ্রাম এসোসিয়েট রেশমা আক্তার, অফিস সহকারী মো. সুলতান ও নীলু বেগম এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন নৃত্য নিকেতনের শিল্পীরা।

Share This Post

আরও পড়ুন