ঢাকাবৃহস্পতিবার, ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আমাদের চট্টগ্রামের সহসম্পাদক ও লাভ বাংলাদেশ পার্টির উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

চট্টগ্রাম
অক্টোবর ১৮, ২০২২ ৯:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

চট্টগ্রাম: জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম পত্রিকার সহ-সম্পাদক নুর মোহাম্মদ ও লাভ বাংলাদেশ পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর উপদেষ্টা ফিরোজ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট কোতোয়ালী জোনের জুয়েল দেবের আদালত।

ফিরোজ চৌধুরী আনোয়ারা উপজেলার পীরখাইন গ্রামের মৃত জালাল আহমদের ছেলে ও নূর মোহাম্মদ বাঁশখালীর ছনুয়া গ্রামের চার নম্বর ওয়ার্ডের মৃত সাইফুল হকের ছেলে।

২০১৮ সালের ২০ জুন দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী সহযোগিতা ও প্ররোচনায় ফিরোজ চৌধুরী সাংবাদিক বজলুল হকের দস্তখত জালিয়াতী করে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাস্পে ১৫ লাখ টাকা হওলাত দিয়াছেন মর্মে একটি চুক্তিপত্র সম্পাদন করেন। পরবর্তী একই চক্রের সদস্য ফিরোজ চৌধুরী বাদি হয়ে বজলুল হককে আসামী করে ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিআর ১৮২৫/ ২২ মামলা করেন। আদালত মামলাটি কোতোয়ালী থানাকে তদন্তভার দেন।

কোতোয়ালী থানার এসআই লেয়াকত মাললাটি একপক্ষীয়ভাবে তদন্ত করে বাদী ফিরোজ চৌধুরীর পক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালত সাংবাদিক বজলুল হকের বিরুদ্ধে সমন জারী করেন। সমন পেয়ে বজলুল হক আত্মসর্মপণপূর্বক জামিনে মুক্ত হয়ে মামলার বাদী ফিরোজ চৌধুরী, সহযোগী ও প্ররোচনাকারী মিজানুর রহমান চৌধুরী ও নুর মোহাম্মদকে আসামী করে একই আদালতে গত ১০ ফেব্রুয়ারি সিআর ২৮২/ ২২ মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তভার দেন।

সিআইডির কর্মকর্তা মো. আজিমুল হক দীর্ঘ তদন্ত ও বজলুল হকের দস্তগত ফরেনসিক পরীক্ষার পর ফলাফলসহ ফিরোজ চৌধুরী ও নুর মোহাম্মদকে অভিযুক্ত করে ৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৩৪ দন্ড বিধি ধারায় গত ৩০ জুলাই আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। দালিলিক কোন প্রমাণ না পাওয়ায় জালিয়াতির মূল পরিকল্পনাকারী মিজানুর রহমান চৌধুরীকে অভিযুক্ত করা যায় নি বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন। রোববার (১৬ অক্টোবর) মামলার ধার্য্য দিনে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর উল্লেখিত আসমীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন।

এ বিষয়ে মামলার বাদী চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য বজলুল হক বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে ভিন্ন ভিন্ন মানুষ দিয়ে নানা প্রকার জাল জালিয়তির মাধ্যমে মিজানুর রহমান চৌধুরীর সহযোগিতায় আরো কয়েকটি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা করিয়েছেন। তার মধ্যে আবু জাফর সাদেক সবুজ বাদী হয়ে সিআর ১২৯৩/২২ গত ১২ জুন মামলা করলে বজলুল হক বাদী হয়ে ওই মামলার বাদী ও মূল পরিকল্পনাকারী মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে জাল জালিয়তির অপরাধে ৪৬৮/৪৬৭/৪৭১/ ৩৪ ধারায় মামলা করেন। যার সিআর নম্বর ১৪৫৯/২২, যা বর্তমানে সিআইডিতে তদন্তাধীন রয়েছে।

আবদুল জলিল বাদী হয়ে গত ৭ জুলাই আরো একটি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করে, যার সিআর নম্বর ২৬৭/২২। জাল জালিয়তের অপরাধে মামলা করলে আবদুল জলিল তার ভুল স্বীকার করে মামলা প্রত্যাহার করে নেন ও তাকে এ মামলা করার জন্য মিজানুর রহমান চৌধুরী ও এডভোকেট নুরুল আলম প্ররোচিত করেছে বলে মামলার আপোষনামায় উল্লেখ করেন। পরবর্তী অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ বাদী হয়ে আরো দুইটি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা করেন।

প্রেস বার্তা

Facebook Comments Box