বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন

আগামীতে নৌবাণিজ‍্যে নেতৃত্ব দেবে মোংলা বন্দর

প্রেস বার্তা
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ মার্চ, ২০২২
  • ২৯ Time View

মোংলা, বাগেরহাট: মোংলা বন্দরে বিদেশী জাহাজ আগমন ও নির্গমনকারী সব জাহাজের সেইফটি ও সিকিউরিটি নিশ্চিতকরণ, চ্যানেলের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ, দুর্ঘটনাকবলিত পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তার লক্ষ্যে ‘ভেসেল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন সিষ্টেম’ (ভিটিএমআইএস) প্রবর্তন করা হয়েছে। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বুধবার (১৬ মার্চ) এর উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দিনে নৌবাণিজ‍্যে মোংলা বন্দর নেতৃত্ব দিবে। এ লক্ষ‍্যে সব ধরনের ব‍্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। বঙ্গোপসাগর থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটারের নৌ চ‍্যানেলে সাড়ে নয় মিটার ড্রাফটের জাহাজ আনার ব‍্যবস্থা করা হচ্ছে। মোংলা বন্দরের আপগ্রেডেশনের লক্ষ‍্যে ছয় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হয়েছে। বন্দর পর্যন্ত রেললাইন সংযোজন করা হয়েছে। ছয় লেনের রাস্তার ব‍্যবস্থা করা হচ্ছে। পদ্মা সেতু ও রেল লাইন চালু হলে বন্দরের গতি আরো বেড়ে যাবে। রিজিওনাল কানেক্টিভিটি বেড়ে যাবে। সে লক্ষ‍্যে শেখ হাসিনা কাজ করছেন। শেখ হাসিনা শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ‍্যত নিয়ে চিন্তা করে পদক্ষেপ নেন। তার রাজনীতি-ভবিষ‍্যতে মানুষ কোথায় কিভাবে থাকবে; তা নিয়ে।’

অনুষ্ঠানে মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা, প্রকল্প পরিচালক মো. মামনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

ভিটিএমআইএস প্রবর্তনের লক্ষ্য হল মোংলা বন্দরকে আধুনিকায়ন, বন্দর সীমানায় আসা সমুদ্রগামী জাহাজগুলো মনিটরিং করাসহ দক্ষতার সাথে হ্যান্ডলিং করার মাধ্যমে প্রদত্ত সেবার মান উন্নীত করা। বন্দর এলাকায় দুর্ঘটনা পরবর্তী তদন্তকরণ ও সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণসহ জাহাজগুলোর গতিবিধি মনিটরিং করার লক্ষ্যে আইএমও কনভেনশেনের আলোকে ইন্টারন্যাশনাল শিপ পোর্ট সিকিউরিটি কোড বাস্তবায়ন করা। বন্দর এলাকায় দুর্ঘটনা পরবর্তী তদন্তকরণ ও তদনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণসহ জাহাজগুলোর গতিবিধি মনিটরিংসহ ওই ঘটনাবলি সংরক্ষণ করা।

মোংলা বন্দরে এর আগে কোন ভিটিএমআইএস ছিল না। ফলে বিদেশী জাহাজের সাথে ভেরি হাই ফ্রিকোয়েন্সির (ভিএইচএফ) মাধ্যমে যোগাযোগ করা হত। বর্তমানে ভিটিএমআইএসএর মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। মোংলা বন্দর আর্ন্তজাতিক বন্দর হিসাবে ভিটিএমআইএসের মাধ্যমে বিদেশী জাহাজের আগমন ও নির্গমন নিরাপত্তার সাথে নিশ্চিত করা হচ্ছে। বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিতের কারণে জাহাজের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছে; যা দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

ভিটিএমআইএস প্রবর্তন শীর্ষক প্রকল্পের কাজের মেয়াদ ছিল ২০১৭ এর অক্টোবর থেকে ২০২১ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রকল্পের প্রধান কাজ ছিল হাইস্পীড বোট সংগ্রহ এবং ভিটিএমআইএস প্রবর্তন। এ জন্য ব্যয় হয়েছে ৫৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। হাইস্পীড বোট সংগ্রহে ব্যয় হয়েছে নয় কোটি ৬২ লক্ষ টাকা এবং ভিটিএমআইএস প্রবর্তনে ব্যয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

Share This Post

আরও পড়ুন