ঢাকাবুধবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

অচিরেই পাহাড়তলী বধ্যভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ শুরু হবে; ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন

পরম বাংলাদেশ ডেস্ক
জানুয়ারি ২৪, ২০২১ ১২:২০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘পরম বাংলাদেশ’ এ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত ‘পাহাড়তলী বধ্যভূমির জমি দখল; সীমানা ভেঙ্গে গাছ কেটে সড়ক নির্মাণ’ শীর্ষক সংবাদের ব্যাখ্যা পাঠিয়েছে কাট্টলী সার্কেল ভূমি অফিস।

ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ‘গত ৩ সেপ্টেম্বর দুপুর দুইটায় পাহাড়তলী বধ্যভূমির পিছনে জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য নির্মাণ কাজ শুরু করলে ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। এ সময় সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন মহোদয়কে পাহাড়তলী বধ্যভূমি সংলগ্ন জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজের বিষয়ে অবহিত করা হলে সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলী টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বধ্যভূমি সংলগ্ন ড্রেন সম্প্রসারণসহ বধ্যভূমির পিছনের ড্রেন নির্মাণ করার জন্য বধ্যভূমির সামনের অংশের দেয়াল অপসারণ করা হয়েছে। যাতে করে ভিতরে ভারী নির্মাণ যন্ত্রপাতি ও মেশিন (এক্সকাভেটর জাতীয়) প্রবেশ করানো যায়। সিটি কর্পোরেশন থেকে গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর জানানো হয় যে, জলাবদ্ধতা নিরসন সংক্রান্ত কাজ শেষ হলে বধ্যভূমির সীমানা দেয়াল সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে পুনঃনির্মাণ করে দেয়া হবে।’

ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ‘আজ সোমবার ২৪ জানুয়ারি বিকাল চারটার দিকে কাট্টলী সার্কেল ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তৌহিদুল ইসলাম পাহাড়তলী বধ্যভূমি সংলগ্ন জায়গা পুনরায় পরিদর্শন করেন। এ সময় দেখা যায় যে, বধ্যভূমির সামনের অংশে বাম দিকে একটি লোহার গেইট। বধ্যভূমির বামপাশের দেয়াল এখনো ভাঙ্গা। বধ্যভূমির মধ্য দিয়ে প্রবেশ করে বধ্যভূমির পিছন অংশে গেলে দেখা যায় যে, নালার দুই দিকে কংক্রিটের ড্রেনেজ সিস্টেম নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। সেখানে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ইয়াকুব অ্যান্ড ব্রাদার্সের কর্মী একটি এক্সকাভেটর দিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ করছে। পরে এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করা হলে তিনি পুনরায় জানান, অতি শীঘ্রই পাহাড়তলি বধ্যভূমি সংলগ্ন ড্রেনেজ সিস্টেম নির্মাণ কাজ শেষ হলে বধ্যভূমির দেয়াল পুনঃনির্মাণ করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হবে। এছাড়া চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে, পাহাড়তলী বধ্যভূমি সংলগ্ন জলাবদ্ধতা নিরসন সংক্রান্ত কাজ শেষ হতে আরো দুই মাস লাগবে। ওই নির্মাণ স্থলে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রপাতি এবং বধ্যভূমির সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে বধ্যভূমির সামনে সাময়িকভাবে অপসারিত দেয়ালের স্থলে লোহার গেইট বসানো হয়েছে।’

কাট্টলী সার্কেল ভূমি অফিস জানায়, স্থানীয় খুলশী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদারকে পাহাড়তলি বধ্যভূমি সংলগ্ন জায়গার নিয়মিত তদারকি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, পাহাড়তলী বধ্যভূমিতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ ও কমপ্লেক্স নির্মাণ সংক্রান্ত ভূমি অধিগ্রহণ কাজ উচ্চ আদালতে মামলা জনিত কারণে বন্ধ থাকার পর মামলা জট কেটে যাওয়ার গত ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে পুনরায় শুরু হয়। ওই স্থানে ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঠিকাদার নিয়োগ হলে অচিরেই বধ্যভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে।

Facebook Comments Box